শুরুটা হোক এক টাকা থেকেই

আল আজমাঈন সাবাব, নিজস্ব প্রতিনিধি

২০-৩-২০২১

This image is not found

করোনার মহামারীকালীন সময়ে, স্কুল পড়ুয়া ৮ জন তরুণ তরুণী মিলে শুরু করে একটি ছোট্ট গল্পের। যেটির শুরু হয়েছিল মাত্র 'এক' টাকা থেকে। এটি কোনো সাধারণ গল্প নয়, জ্বী হ্যাঁ ...বলছি সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর দশম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থীর কথা। যাদের নেওয়া ছোট্ট একটি উদ্যোগ থেকেই  আজকের "এক টাকার গল্প " ফাউন্ডেশন। 

"এক টাকার গল্প " ফাউন্ডেশন মূলত একটি অলাভজনক, মানবিক এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠন। যাদের লক্ষ্য পথশিশু এবং হতদরিদ্র মানুষদের যথাসাধ্য সহায়তা করা। " একা কেন ভালো থাকবো? চলুন না ভালো থাকি সবাই মিলে " এই স্লোগানকে সামনে রেখেই তাঁদের পথচলা। 

সূচনার পর শুধুমাত্র ফাউন্ডেশন আর লক্ষ্য নির্ধারণ করেই বসে থাকেন নি তাঁরা, এই কয়েকমাসে তারা সম্পন্ন করে ফেলেছে পাঁচ পাঁচটি (৫) ইভেন্ট। প্রতিটি ইভেন্টেই তারা বিভিন্ন এলাকার শতাধিক মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে। এর মধ্যে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় তিনটি (৩) এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর ও পঞ্চপুকুর-এ দুইটি (২) ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সর্বশেষ জানুয়ারি-২০২১ এ দিনাজপুরের বীরগঞ্জে সম্পন্ন হওয়া পঞ্চম ইভেন্টে প্রায় ৭০ টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন তাঁরা। 

সংগঠনটির সহ সভাপতি মোঃ সোয়াইলিম শাদীদ বলেন, "আমাদের পরবর্তী ২টি পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু অসহায় বাচ্চাদের ঈদের শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে কাপড় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিতে চাই। পরবর্তীতে আমাদের দেশের পিছিয়ে পড়া অসহায় শিশু যারা টাকার অভাবে পড়তে পারছে না বা খেতে পারছে না আমরা তাদের সাহায্য করতে চাই। আমাদের পরবর্তী প্রজেক্ট "ভালো থাকার উৎসব-২০২১" এ অনাথাশ্রমে বসবাসকারী বাচ্চাদের সাহায্য করা এবং তাদের সমস্যা শুনে সে অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো আমরা। "

২০২০ এর অক্টোবরে ৮ জন সদস্য থেকে শুরু করা "এক টাকার গল্প " ফাউন্ডেশনের সদস্য সংখ্যা এখন ৮ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে  ৯১ তে। সংগঠনটির সভাপতি রুকাইয়া জান্নাত নিঝুম বলেন, "এখন ধীরে ধীরে নতুন মানুষদের সাড়া পাচ্ছি এবং সংগঠনের সদস্য সংখ্যা যদি আরোও বাড়ে তাহলে ভবিষ্যতে আমরা আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে সাহায্য করতে পারবো। "

এই বিভাগের আরও