চবির হিসাব নিয়ামকের বিরুদ্ধে শিবিরের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ

আকিব জাভেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক

১২-১-২০২১

This image is not found


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সময় জামাত-শিবিরের আধিপত্য ছিল চরমে।বিশ্ববিদ্যালয় শিবির মুক্ত হলেও প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো ওই মতাদর্শের মানুষ বসে আছে বলে তীব্র অভিযোগ পাওয়া যায় প্রায়শই।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এর সূত্র ধরেই হিসাব নিয়ামক তার চেয়ারে বসা অবস্থায় একদল যুবক তার অফিসে প্রবেশ করে,তারা জানতে চায় উনি কেন জামাত শিবিরকে অর্থযোগান দিচ্ছেন এবং তাদের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তার  কয়েকজন সহকর্মী এই ছেলেদের সরিয়ে দেয় কক্ষ থেকে। এসময় তারা তাকে জামাত-শিবিরের এজেন্ট, রাজাকার ও দালাল আখ্যায়িত করে বিভিন্ন অকথ্য গালাগালি ও হুমকি দিয়ে বের হয়ে যায়। 

ঘটনার পরপরই হিসাব নিয়ামক দপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের কাজ বন্ধ করে বারান্দায় জড়ো হন। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে কর্মবিরতি পালন করে তারা। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার। পরে হিসাব নিয়ামককে নিয়ে উপাচার্যের সাথে বৈঠক করেন তারা। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূইয়া বলেন, হিসাব নিয়ামকের ওপর হামলার ঘটনাটি শুনেই আমরা তার কার্যালয়ে ছুটে যাই। কিছু ছেলে তার রুমে গিয়ে তার সাথে উগ্র আচারণ করে। তবে এ ঘটনার সাথে কারা জড়িত সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। উপাচার্য মহোদয় বিষয়টিতে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন। তিনি তদন্তপূর্বক এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

তদন্ত কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান বলেন, হিসাব নিয়ামককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার বিষয়ে আমরা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। এতে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল মনসুরকে আহবায়ক ও গোপনীয় শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফজলুল করিমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূইয়া ও কেন্দ্রীয় স্টোর শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও অফিসার সমিতির সভাপতি রশিদুল হায়দার। কমিটিকে দ্রুততম সময়ে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও