জঙ্গীবাদ || ✍: সাজ্জাদ হোসেন || ক্যারিয়ার ক্লাব অফ আর্টস ফ্যাকাল্টি (ক্যাফ) ||

এস এইচ/এস ই

২০-১০-২০২০

This image is not found

 

জঙ্গীবাদ বর্তমান বিশ্বের এক জটিল বাস্তবতা। জঙ্গীবাদ শব্দটি ইংরেজি militants এর প্রতিশব্দ। জঙ্গীবাদকে বলা হয় সন্ত্রাসবাদের নতুন রূপ।  ব্যুৎপত্তিগত বিচারে ‘জঙ্গ’ থেকেই জঙ্গি শব্দের উদ্ভব। শব্দটি মূলত ফার্সী ভাষার; যার অর্থ যুদ্ধ বা লড়াই। সে হিসেবে ‘জঙ্গি’ অর্থ সাধারণভাবে যোদ্ধা বা লড়াকু। জঙ্গীবাদ  বলতে বোঝায় একটি উগ্রপন্থি গোষ্ঠী যারা যুদ্ধ বা সহিংসতার মাধ্যমে সব কিছু আদায় করতে চায়। এখন যৌক্তিক কারণেই জগতের অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি তুমুল আলোচিত বিষয় হচ্ছে জঙ্গীবাদ । বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের পরিপ্রেক্ষিতে জঙ্গীবাদের নানা শ্রেণিবিভাগও তৈরি হয়েছে। যেমন: সাইবার, নারকো, নিউক্লিয়ার, বায়ো, রাজনৈতিক, সেপারেটিস্ট, ধর্মীয় জঙ্গীবাদ ইত্যাদি। সারা বিশ্বে ছোট বড় সর্বমোট জঙ্গি সংগঠনের সংখ্যা পাঁচ হাজার।

বিশ্বের নানা প্রান্তে সক্রিয় রয়েছে অনেক চরমপন্থী গোষ্ঠী যারা জঙ্গীবাদকে ধারন করে। নিজেদের অন্যায় দাবি আদায়ে তারা বেছে নিয়েছে সহিংসতার পথ। লাখো মানুষের মৃত্যু ও ভয়ানক সব ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী তারা। এখনও তারা পৃথিবীর বুকে কায়েম করার চেষ্টা করছে ভীতি ও ত্রাসের রাজত্ব। মৃত্যুর সওদা করছে তারা প্রতি মুহূর্তে।

 

অর্থনৈতিক,  সামাজিক ও রাজনৈতিক কারনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে জঙ্গীবাদ বিস্তার লাভ করেছে।  আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে অপরাজনীতির জন্য জঙ্গীবাদের শিকড় খুব গভীরে।  দুটি দেশেই জঙ্গি গোষ্ঠী এবং তাদের সমর্থকরা জাতীয় এবং স্থানীয় নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখে। ভারতেও উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির কারণে গুজরাটের দাঙ্গা এবং অতিসম্প্রতি সংখ্যালঘু মুসলিম এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গরিব মানুষদের নানা সরকারি সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে হিন্দুত্বকরণ হচ্ছে। ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদ জঙ্গীবাদে রূপ না নিলেও দেশটির বহু প্রদেশেই রাজনৈতিক জঙ্গীবাদ রয়েছে।

 

বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের উত্থানঃ

 

বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের ইতিহাস দেখলে দেখা যায় যে এদেশে জঙ্গীবাদের সূচনা ১৯৯০-র মাঝামাঝি সময়ে৷ সর্বসাম্প্রতিক কালে ইসলামিক স্টেট বা আল-কায়েদার সঙ্গে বাংলাদেশের জঙ্গিদের যোগাযোগ কিংবা আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের বাংলাদেশে উপস্থিতির  দিকে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ কার্যত পঞ্চম প্রজন্ম বা জেনারেশনে উপস্থিত হয়েছে৷ 

প্রথম প্রজন্ম: ১৯৭৯-১৯৯২ মধ্যকার সময়কাল  যখন বাংলাদেশে হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলাম বা হুজি প্রতিষ্ঠা করে এবং আফগানিস্তানে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম এই প্রজন্মের আবির্ভাব ধরা হয় ১৯৯৬ সালকে। এসময়  ‘কিতাল-ফি-সাবিলিল্লাহ' বলে সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়৷ যা ১৯৯৮ সালে এসে জামায়াত-উল-মুজাহিদিন বা জেএমবি'তে রূপান্তরিত হয়।যার সঙ্গে হুজি'র যোগাযোগ ছিল ওতপ্রোত৷ 

তৃতীয় প্রজন্ম এ প্রজন্মের শুরুটা ২০০১ সালে হিযবুত-তাহরির প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। যার  বিকাশ ঘটে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে৷ 

চতুর্থ প্রজন্ম : চতুর্থ প্রজন্মের আবির্ভাব ঘটে ২০০৭ সালে। এ সময় জামাতুল মুসলেমিন নামে জঙ্গি সংগঠন এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।  পরবর্তীতে যা আনসারউল্লাহ বাংলা টিম নামে কার্যক্রম চালায়৷ এরা অনুপ্রাণিত হয়েছে আনওয়ার আলওয়াকি'র দ্বারা এবং এরাই এখন আনসার-আল-ইসলাম বলে আল কায়েদার প্রতিনিধিত্বের দাবি করে৷ 

 

পঞ্চম প্রজন্ম এ প্রজন্মের আওতাধীন  হচ্ছে যারা ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেটের উদ্ভবের পরে ইসলামিক স্টেটের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত হয়।এ সময় কেউ কেউ  যুদ্ধ করতে সিরিয়াতে পাড়ি জমায়।

 

বাংলাদেশে সংঘটিত জঙ্গি হামলা:

 

১৯৯৯ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে বোমা হামলায় এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা ৩৭, সেটা ২০০৪ সালের ঘটনা । ২০০৫ সালে বিভিন্ন হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা ৩৬। আহতের দিকে দিয়ে ২০০৫ সাল এগিয়ে (৯৫২ জন); তারপর রয়েছে ২০০৪ সাল (৭৬৫ জন)।

🔴১৯৯৯: ৭ মার্চ, যশোরে উদীচী শিল্প গোষ্ঠীর উপর প্রথম বোমা হামলা। এ ঘটনায় নিহত হয় ১০ জন, আহত হয় ১০৬ জন।

◾৮অক্টোবর,খুলনায় আহমদিয়াদের মসজিদে বোমা হামলায় নিহত হয় আট জন, আহত হয় ৪০জন।

🔴২০০১: ১৪ এপ্রিল, রাজধানীর  রমনা পার্কের বটমূলে বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হয়। এছাড়াও আহত হয় শতাধিক।

◾ ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বরে, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সভায় বোমা হামলায় যথাক্রমে ৮ এবং ৪ জন নিহত হয়। আহতের সংখ্যা শতাধিক।

 

🔴২০০২: ২৮ সেপ্টেম্বর, সাতক্ষীরাতে শক্তিশালী দুটি বোমা হামলায় নিহত ৩ জন, আহতের সংখ্যা ছিল ১২৫ এরও অধিক।

◾ ৭ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের সিনেমা হলগুলিতে চালানো হয় সিরিয়াল বোমা হামলা। এ হামলায় নিহত হন ১৮ জন,  আহত হয়েছিলেন তিন শতাধিক।

 

🔴২০০৩: এ বছর  নারায়ণগঞ্জে শহরের দানিয়ার এক মেলাতে বোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় ৮ জনকে। আহত হন  অনেকে।

 

🔴২০০৪: বছরের শুরুতে,  ১২ জানুয়ারি সিলেটের হযরত শাহ জালাল দরগার শরীফে এক বোমা হামলায় ১০ জন নিহত ও  আহত হয় ১৩৮ জন।

◾ ২১ মে, সিলেটে তখনকার ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে লক্ষ্য করে চালানো বোমা হামলায় হাইকমিশনার বেঁচে গেলেও নিহত হয় অন্য দুজন, আহত হয় ২০ জন।

◾ ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ানক সিরিয়াল গ্রেনেড হামলার ঘটনাটি ঘটে।এতে নিহত হয় ২৩ জন, আহত হয়  পাঁচ  শতাধিক। এ হামলায় তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের একটি বৃহৎ অংশ, বিশেষ  করে বিএনপির শক্তিশালী তরুণ নেতৃত্ব জামাতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জড়িত বলে অভিযোগ  রয়েছে; বিষয়টি এখন বিচারাধীন। আওয়ামী লীগ প্রধান  তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনা মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেলেও মারা যান মহিলা আওয়ামী লীগ প্রধান আইভি রহমান।

🔴২০০৫:  ১ জানুয়ারি, বগুড়া ও নাটোরে বোমা হামলায় মারা যায় ৩ জন, আহতের সংখ্যা সত্তরের অধিক।

◾ একই মাসে হবিগঞ্জের বৈধর বাজারে আওয়ামী লীগের সমাবেশে বোমা হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী গোলাম কিবরিয়াসহ পাঁচ জন। আহত হয় ১৫০ জন।

◾ ১৭ আগস্ট সারা দেশে একযোগে প্রতিটি জেলায় বোমা হামলা করা হয়। জঙ্গিরা তাদের অপারেশনাল সক্ষমতা কেমন তা দেশবাসীকে জানান দেয় এভাবেই।

◾১৪ নভেম্বরের,  ঝালকাঠিতে দু’জন সহকারী জেলা জজকে বোমা মেরে হত্যা করা হয়।

◾ ২৯ নভেম্বরে, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও টাঙ্গাইলে একসঙ্গে বোমা হামলা করা হয়। এ হামলায় নিহতের সংখ্যা ৯, আহতের সংখ্যা ৭৮।

 

🔴২০০৬: ২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনায় উদীচী কার্যালয়ের সামনে এক বোমা হামলায় নিহত হয় ৮ জন, আহত ৪৮ জন।

 

🔴২০১৬: ২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে।বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তৈরি করা ওই ঘটনায় জঙ্গিরা ওই রাতে ২০ জনকে হত্যা করে। যাদের ৯ জন ইতালি, ৭ জন জাপান,৩জন বাংলাদেশী এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া জঙ্গিদের হামলায় দুজন পুলিশও প্রাণ হারায়।

 

বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের  ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলে  দেখা যায় বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আদর্শিকভাবে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের যোগাযোগ রয়েছে শুরু থেকেই। ফলস্বরুপ  অন্যান্য  দেশের জঙ্গিদের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক ‘ড্রাইভার' যেমন একটি বিশেষ উপাদান হিসেবে প্রভাব  ফেলে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনি প্রভাব রয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র বৈশ্বিক ড্রাইভারই শক্তি সঞ্চয়ের জন্যে যথেষ্ট নয়৷ তবে গত কয়েক মাসে আইএস যতই তাঁদের নিয়ন্ত্রিত ঘাঁটি  হারাচ্ছে, ততই চেষ্টা করছে অন্যান্য দেশে শক্তি প্রদর্শনের জন্য  যেখানেই তাঁদের সাংগঠনিক বা আদর্শিক যোগাযোগ আছে। প্যারিস, ব্রাসেলস, ইস্তানবুল, নিস তার প্রমাণ বহন করে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাগুলোকেও সেই আলোকেই বিবেচনা করলে বাংলাদেশে জঙ্গীবাদকে চিরতরে নির্মূল করা এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদকে ঘৃণা করে। একটি দেশের অগ্রগতি ও নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বড় ধরনের অন্তরায়। একটি দেশে কেন জঙ্গিবাদ বা সহিংস উগ্রপন্থা বিস্তার লাভ করে, কেন এ ধরনের আদর্শ মানুষকে আকর্ষণ করে, কারা জঙ্গিবাদের প্রতি আকর্ষিত হয়– এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে পারলেই জঙ্গিবাদকে কার্যকরভাবে মোকাবেলা করা যাবে।এজন্য জঙ্গীবাদ নির্মূলে  প্রধান কাজ হচ্ছে প্রধান কারণগুলো চিহ্নিত করা এবং তার উৎসের দিকে তাকানো ৷  

যেহেতু দেখা যায়, ধর্মের নামে জিহাদের ডাক এবং প্রলোভন দিয়ে অধিকাংশ জঙ্গিবাদ ছড়ানো হচ্ছে মানুষের মাঝে, তাই এর প্রতিরোধে আদর্শিক লড়াই বড় অস্ত্র হিসেবে কাজ করবে।

ইসলামের খণ্ডিত অপব্যাখ্যার কারনে  বর্তমান বিশ্বে  অধিক সংখ্যক জঙ্গি সৃষ্টি হচ্ছে । সে কারণে ধর্মীয় নেতা বিশেষ করে আলেম-ওলামা-মসজিদের ঈমামদের এই ব্যাপারে মুসল্লিদেরকে বিস্তৃত আলোচনায় বুঝাতে হবে। ইসলাম কখনোই জঙ্গীবাদ সমর্থন করে না বুঝাতে হবে।

পরিবার-প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ  সকল সেক্টরে এই জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বহুমুখী উদ্যোগ নিতে হবে।সাপ্তাহিক বা মাসিক সচেতনতামূলক কর্মশালার আয়োজন করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত খোজ খবর নিতে হবে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে জঙ্গি বা উগ্রবাদ ঠেকাতে বিভিন্ন দেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল। আমরা এ থেকে শিক্ষা নিয়ে  আমাদের মতো কাস্টমাইজ করে নিতে পারি। শুধু আভিযানিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের দমন বাংলাদেশে সম্ভব নয়। এটি মূলত একটা আদর্শগত লড়াই।

জঙ্গিবাদ দমনে বড় একটি পদক্ষেপ হওয়া উচিৎ মাদক সেবন রোধ। সমাজকে বাঁচাতে হলে, যুব সমাজকে বাঁচাতে হলে, নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে মাদকমুক্ত করতে হবে। সমাজকে মাদকমুক্ত করতে পারলেই সমাজের যুবকদের মধ্যে ভ্রান্ত ধারনা গড়ে উঠবে না।

আর সর্বোপরি দেশের সরকার,প্রশাসন, জনগন মিলে সম্মিলিত ঢাল তৈরি করতে হবে এই জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে।আর তাহলেই দেশে অরাজকতা বন্ধ হবে।প্রান হারাবে না হাজার হাজার মানুষ।অর্থনৈতিক চাকা সচল হবে আরো।জনগনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে ঠিক তখনই।আসুন আমরা জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত ভাবে রুখে দাড়াই।

 

  " বঙ্গবন্ধুর বাংলায় জঙ্গীবাদের ঠাই নাই "

সাজ্জাদ হোসেন
টিম : ক্রাক প্লাটুন
ক্যারিয়ার ক্লাব অফ আর্টস ফ্যাকাল্টি     (CCAF)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

 

তথ্যসূত্র :

      ১)https://www.bbc.com/bengali

       ২)https://m.dw.com/bn

       ৩)https://www.prothomalo.com/

       ৪)https://en.m.wikipedia.org/wiki/Militant

এই বিভাগের আরও