আরব বসন্ত ও পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য || ✍: আতাউর রহমান || ক্যারিয়ার ক্লাব অব আর্টস ফ্যাকাল্টি (ক্যাফ) ||

এস এইচ/এস ই

১৭-১০-২০২০

This image is not found

একটি পর্যালোচনা

                 

মানুষ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখে। সকল অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন এবং দুঃশাসনের পতন ঘটিয়ে এক উজ্জ্বল ও সোনালী পৃথিবীর গড়ার জন্য মানুষ স্বপ্ন দেখে। পৃথিবীর ইতিহাসে যেসকল বড় বড় পরিবর্তন হয়েছে তার অধিকাংশই সাধিত হয়েছে বিপ্লবের মাধ্যমে। তাই বিপ্লবকে প্রগতির জন্য এক আশীর্বাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। রেনেসাঁ,শিল্প-বিপ্লব,বলশেবিক বিপ্লবকে এখনো পৃথিবীর ইতিহাসের মোড় পরিবর্তন বিপ্লব হিসেবে ধরা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সকল বিপ্লব সমর্থনকারী ব্যক্তির মনে বিপ্লব মানেই হল সাধারণ মানুষের মুক্তি,অধিকার প্রতিষ্ঠা,ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা। ইতিহাসও অনেকটা তাই সমর্থন করে। কিন্তু কখনো কখনো এর বিপরীতও হতে পারে। অর্থাৎ মানুষের মুক্তি, অধিকার প্রতিষ্ঠা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা নাও হতে পারে। তারই সাক্ষ্য বহন করে একবিংশ শতাব্দীতে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে  বড় বিপ্লব “আরব বসন্ত”। আরব বসন্ত যে লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল অর্থাৎ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, জনসাধারণের অধিকার রক্ষা ও স্বৈরশাসনের অবসান করা এসবের সব কিছুই আজ প্রায় মরীচিকা।" বসন্ত তো আসেনি বরং ক্ষেত্রবিশেষে আরব বিশ্বে গৃহযুদ্ধের শুরু করেছে সেই আন্দোলন। যা বয়ে বেড়াচ্ছে সিরিয়া, মিসর ও ইরাকের মতো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ।" তবে আরব বসন্তের মাধ্যমে আরবে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে তা সত্য।

বোয়াজিজি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী এক যুবক, যার হাত ধরেই আরব বসন্তের মত এত বড় এক বিপ্লবের সূচনা।

স্নাতক পাস করে বোয়াজিজি কোনো চাকরি না পেয়ে স্থানীয় বাজারে সবজি বিক্রি করতেন। শিক্ষিত হয়েও ছিলেন অবহেলিত। ২০১০ সালের ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ সকালবেলায় তিউনিশিয়ার শহর সিদি বাওজিদে ফল বিক্রি করছিলেন বোয়াজিজি। পৌরসভার নারী পুলিশ ইন্সপেক্টর ফাইদা হামদির সঙ্গে কথা কাটাকাটি বেধে যায় ঘুষের জন্য। অবস্থা এমন ছিল যে, ঘুষ দেয়া ছাড়া  সামান্য সবজি ব্যবসা করতে পারছিলেন না। এক পর্যায়ে ইন্সপেক্টর বোয়াজিজি’র সকল পণ্য ঠেলা গাড়িটিসহ আটক করে নিয়ে যায়। বোয়াজিজি অনেক কাতর অনুনয় বিনয় হয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে গাড়ি ফিরিয়ে নিতে চাইলেন। কিন্তু তাতে মন গলেনি নগর কর্তৃপক্ষের। শেষমেষ মরিয়া বোয়াজিজি বাজার থেকে জ্বালানি কিনে এনে সরকারি ভবনের গেটের সামনে নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন। 

বোয়াজিজির এই নিজেকে জ্বালিয়ে দিয়ে মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে দেন। মুহুর্তের মধ্যে পুরো তিউনিসিয়ার জনগণ  অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে।

৪ জানুয়ারি ২০১১ থেকে তিউনিসিয়ায় আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। ফলে ১৪ জানুয়ারি বেন আলী তার দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতা থেকে অব্যাহতি নেন এবং পালিয়ে সৌদি আরবে আশ্রয় নেন।এতে আপাত দৃষ্টিতে বিদ্রোহীরা সফলতা লাভ করলে এর ঢেউ পার্শ্ববর্তী দেশেও আঘাত হানে।

 প্রথমেই এই খড়গ উঠে মিশরের উপর। মিশরে প্রায় ৩০ বছর ধরে একক শাসন পরিচালনা করে যাওয়া হুসনী মোবারকের সরকারের অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিশরের সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে এবং তাহারীর স্কয়ারে একত্রিত হয়।ফলে বাধ্য হয়ে হুসনী মোবারক কে ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা থেকে নেমে আসতে হয়। এতে জনগণ উল্লাসে ফেটে পড়ে। 

 প্রায় একই সময়ে অন্যদিকে লিবিয়ার সাধারণ জনগণও দীর্ঘস্থায়ী একনায়ক  মোয়াম্মার গাদ্দাফির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। কিন্তু গাদ্দাফি এত সহজে দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। তিনি আন্দোলনকারী জনগণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে তিনি আন্দোলনকারীদের হটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি বরং আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। বিদ্রোহীদেরকে ইউরোপ ও আমেরিকা জোট অস্ত্র সরবরাহ করে ফলে লিবিয়াতে গৃহযুদ্ধের আকার ধারণ করে। এই অবস্থা দীর্ঘ নয় মাস চলার পর ২০ অক্টোবর গাদ্দাফি পরাজিত ও নিহত হন। 

অপরদিকে সিরিয়ার সরকার বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধেও আন্দোলন শুরু হয়। কিন্তু বাশার আল আসাদ বিদ্রোহীদের কে মাথা তুলে ধারাতে দেননি। ফলে বাশার আল আসাদ বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলতে থাকে যা আজও বিদ্যমান রয়েছে। একইভাবে ইয়েমেনে স্বৈরাচারী শাসক আব্দুল্লাহ সালেহের পতন গটে এবং ক্ষমতায় আসেন আব্দুরাব্বে মানসুর। 

বাহরাইনে বিদ্রোহ দেখা দিলেও তা ব্যাপকতা লাভ করতে পারেনি। তবে সেখানেও অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। এছাড়াও আরবের অন্যান্য অঞ্চলেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পরছিল যদিও ঐসব অঞ্চলে এই বিপ্লব ততটা সাফল্য লাভ করতে পারেনি।

আরব বিশ্বের এই গণ অভ্যুত্থান সংঘটনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং এর ইউরোপীয় ন্যাটোভুক্ত সহচর রাষ্ট্রগুলো অস্ত্র সরবরাহ করে এবং সরাসরি আঘাত হেনে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রনায়কের পতন ঘটায়। এক হিসাবে বলা হয় আরব বসন্তের ফলে মাত্র পৌনে দুই বছরে লিবিয়া, সিরিয়া, মিশর, তিউনিসিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনের গণ-আন্দোলনের ফলে মোট দেশজ উৎপাদনের ক্ষতি হয়েছে দুই হাজার ৫৬ কোটি ডলার। ডিসেম্বর ২০১০ থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় যে গণ বিদ্রোহ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন হচ্ছে তা ইতিহাসে নজিরবিহীন। 

 

 যে লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নে গণবিপ্লব সংঘটিত হয়েছে, দীর্ঘ এক দশক পর চোখ বুলালে খুব সহজেই উপলব্ধি হবে যে তা কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, শাসন ব‍্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত  হয়ে নতুন এক আরবের সূচনা হয়েছে নাকি মধ্যপ্রাচ্য নেমে এসেছে বসন্তের নামে এক দূর্বিষহ যন্ত্রণা। অনেকটা ঢাক-ঢোল পিটিয়েই পশ্চিমা মিডিয়া তিউনিসিয়ায় শুরু হওয়া বিপ্লব কে আরব বসন্ত হিসেবে প্রচার করে এবং এই বিপ্লবকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার পথ হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করে।পর্যবেক্ষণীয় দৃষ্টিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলোর দিকে একটু দৃষ্টিপাত করা যেতে পারে।

 

যে তিউনিসিয়ায় গণতন্ত্র ,সুশাসন ও মানবাধিকারের আলো জ্বালানোর জন্য নিজের শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন বোয়াজিজি সেখানে এখনো পূরণ হয়নি বুয়াজিজির স্বপ্ন। ১৪ জানুয়ারি ২০১১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বেন আলী পদত্যাগ করার পর গনতান্ত্রিকভাবেই ক্ষমতায় আসেন ঘানুচি। তিনিও পরিবর্তিত হয়ে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেজি সাঈদের আগমন হয়। কিন্তু তিউনিসিয়ার জনগণের জীবনমানের কোন উন্নতি হয়নি। এখনো সেখানে সাত লক্ষ লোক বেকার। তার উপরে মুদ্রাস্ফীতি ও সাধারণ জনগণের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ। সব মিলিয়ে তিউনিসিয়া খুব ভাল অবস্থানে নেই।

 

মিশরের হোসনে  মোবারককে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুড গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় আসেন। সত্যিকার গণতন্ত্র বাস্তবায়নের আশা নিয়ে এবং জনগণকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র উপহার দিতে বদ্ধপরিকর হয়ে ক্ষমতায় আসেন মুহাম্মদ মুরসি। কিন্তু  মুহাম্মদ মুরসী প্রেসিডেন্ট হিসেবে এক বছরের বেশী টিকে থাকতে পারেন নি। এক বছরের মাথায়  সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে নেন এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিসির উত্থান হয়। ফলে মিশরে আবার জনগণের স্বাধীনতা খর্ব হয়। এদিকে মুরসীসহ তার দলের বহু নেতা কর্মী  জেলে দিনাতিপাত করছে। গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্টকে শেষ পর্যন্ত কারাগারেই মরতে হয়। স্বৈর শাসক ও পশ্চিমা মদদপুষ্ট শাসক আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসি জনগণ একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে।

সম্প্রতি সিসির স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে মিশরের জনগণ ফুঁসে উঠেছে। তার পতনের জন্য জনগণ আবার বিক্ষোভ শুরু করেছে।

 

 

লিবিয়াতে অবস্থা আরও খারাপ। মুয়াম্মার  গাদ্দাফি থাকা কালে লিবিয়াতে গণতান্ত্রিক অধিকার না থাকলেও লিবিয়ার সাধারণ জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণ ও জীবন যাত্রার মান নিশ্চিত ছিল। সে সময়ে তাদের দেশ  অর্থনৈতিকভাবে অনেক উন্নত ছিল।  কিন্তু আরব বসন্তের  দমকা হাওয়ার পর লিবিয়াতে গৃহ যুদ্ধ দেখা দেয়। লিবিয়ার সাধারণ জনগণের হাতে পশ্চিমারা অস্ত্র তুলে দেয় এবং ন্যাটোর হস্তক্ষেপের কারণে লিবিয়ার কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে  বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠীর শাসন গড়ে উঠে যা বর্তমানেও বজায় রয়েছে। ফলে লিবিয়ার সাধারণ মানুষের জীবন আজ বিপর্যস্ত। এখনো পর্যন্ত লিবিয়াতে শান্তি ফিরে আসেনি। গৃহযুদ্ধ এখন প্রতিনিয়ত চলছে। 

 

একইভাবে সিরিয়াতে আজ হাজার হাজার নারী শিশুর রক্তের স্রোত আরব বসন্তের মূল্য দিচ্ছে।আরব বসন্তের সূচনালগ্ন  হতে সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ কে উৎখাত করার জন্য সাধারণ জনগণ বিদ্রোহ করে তাদের কে মার্কিনীরা অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দিয়ে আন্দোলন কে আরও বেগবান করে তোলে। অপরদিকে যখন বাশার পরাজিত হওয়ার পথে তখনই তার পাশে এসে দাঁড়ায় রাশিয়া ও ইরান । ফলে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়। যা আজও জীবিত। ফলে আরব বসন্ত সিরিয়ার সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেবার পরিবর্তে তাদের স্বাভাবিক জীবন ধ্বংস করে দিয়ে কেড়ে নিচ্ছে হাজার হাজার তাজা প্রাণ।

 

একইভাবে ইয়েমেন ও বাহরাইনে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। জন্ম নিয়েছে নতুন জঙ্গীগোষ্ঠী বিপর্যস্ত হয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা। কিন্তু ফিরে আসেনি আরব বসন্তের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। নিশ্চিত হয়নি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদপত্র আল-খালিজ, পত্রিকাটি দাবি করেছে, "আরব বসন্তের ফল হয়েছে শুধুই নেতিবাচক"। যুক্তরাজ্যের সাপ্তাহিক দি ইকোনমিস্ট লিখেছে, "আরব বসন্তের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে স্বৈরশাসকদের পতনের আনন্দ-উল্লাসের দিনগুলো পেরিয়ে গোটা অঞ্চলে চরমপন্থা, অস্থিতিশীলতা ও সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মানুষের মনে আশাভঙ্গ ও হতাশা ক্রমে গভীর থেকে গভীরতর হয়েছে"। বিশিষ্ট আরব লেখক জিহাদ আল-খাজেন লন্ডন থেকে প্রকাশিত আল-হায়াত পত্রিকায় নিজের কলামে লিখেছেন, "অনেক আরব দেশের পরিস্থিতি ইতিমধ্যে বিপর্যয়কর এবং এ বিপর্যয় চলতে থাকবে"।

আরব বসন্ত ছিল গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মূলা ঝুলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে পশ্চিমা বিশ্বের অস্ত্র ব্যবসা, তেল আমদানি ও তাদের মদদ-পুষ্ট শাসকের ক্ষমতায় বসানোর একটি এজেন্ডা মাত্র। যা আজ বর্তমান বিশ্বের সামনে স্পষ্ট। যদিও তারা তাদের এই এজেন্ডা তে বহুলাংশে সফল। মধ্যপ্রাচ্যকে আরও কতদিন এই আরব বসন্তের মূল্য পরিশোধ করতে হয় তাই এখন দেখার বিষয়।

 

 

 

তথ্যসূত্রঃ

১. A report from Mahbub Alam, Bangladesh Protidin.

2. Wikipedia (https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%AC_%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4)

3.Daily  Nayadiganta(https://www.dailynayadiganta.com/ampproject/sub-editorial/379789)

4. Kaler khanto

5. BBC News

6.http://www.payvand.com/news/11/feb/1080.html

7.Prothom Alo(https://www-prothomalo-com.cdn.ampproject.org/v/s/www.prothomalo.com/amp/story/world/asia/)

8.https://www-bbc-com.cdn.ampproject.org/v/s/www.bbc.com/bengali/news-50229310.amp?amp_js_v=a2&amp_gsa=1&usqp=mq331AQHKAFQArABIA%3D%3D#aoh=16002551653343&referrer=https%3A%2F%2Fwww.google.com&amp_tf=From%20%251%24s&ampshare=https%3A%2F%2Fwww.bbc.com%2Fbengali%2Fnews-50229310

আতাউর রহমান ফাহমিদ
টিমঃ উদ্দ্যীপ্ত তারুণ্য 
ক্যারিয়ার ক্লাব অব আর্টস ফ্যাকাল্টি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
এই বিভাগের আরও