টিকটক ব্যবহার করে ভুল করছেন না তো?

১৩-৮-২০২০

This image is not found
ইকরাম,কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিনিধি :


সম্প্রতি টিকটকের বিরুদ্ধে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের শনাক্তকরণের অনন্য তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। 

 ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, 
টিকটক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ব্যবহারকারীদের বিশেষ কাস্টমাইজড বিজ্ঞাপন দেখাতে মিডিয়া অ্যাকসেস কন্ট্রোল (ম্যাক) অ্যাড্রেস সংগ্রহ করেছিল।

ম্যাক আইডি সংগ্রহ  করা বিষয়টি গুগল অনুমোদন করে না। যা গুগলের প্রাইভেসি নীতিমালার লঙ্ঘন।

২০১৫ সালে গুগল অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের ম্যাক অ্যাড্রেস ও আইএমইআই নম্বর ব্যবহার করে নজরদারির করার বিষয়টি ডেভেলপারদের জন্য বন্ধ করে দেয়। তবে টিকটক বিশেষ কৌশলে এ পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছিল। 

 টিকটক প্রায় ১৫ মাস ধরে ব্যবহারকারীর ওপর নজরদারি অব্যাহত রাখে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে তারা এ চর্চা বন্ধ করে।

টিকটক এক বিবৃতিতে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জকে জানিয়েছে, সমসাময়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা অ্যাপ হালনাগাদ রাখি। টিকটকের বর্তমান সংস্করণ কোনো ম্যাক অ্যাড্রেস সংগ্রহ করে না। আমরা ব্যবহারকারীদের সব সময় টিকটকের হালনাগাদ সংস্করণ ডাউনলোড করার পরামর্শ দিয়ে থাকি।

টিকটক মূলত প্রথমবার কেউ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইনস্টল করে চালু করলেই টিকটক তাঁর ম্যাক অ্যাড্রেস সংগ্রহ করত। এরপর ওই ম্যাক অ্যাড্রেসটি টিকটক নির্মাতা বাইটড্যান্সের কাছে চলে যেত। সেখানে একটি বিজ্ঞাপন আইডির সঙ্গে এটি ট্যাগ হয়ে যেত। এই আইডি দিয়েই ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য না পেলেও তাঁর আচরণ নজরদারি করতে পারত টিকটক। এখানে সমস্যা হচ্ছে, ডিভাইস ফরম্যাট দিয়ে সবকিছু মুছে ফেললেও ম্যাক আইডি পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ, টিকটক একবার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি মুছে ফেলা হলেও নজরদারি চলতেই থাকে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপ স্টোরে টিকটক নিষিদ্ধের ঘটনা ঘটলে এ প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন দেওয়ার বিষয়টি নিষিদ্ধ হতে পারে।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে সই করে ৪৫ দিনের মধ্যে মার্কিন কোনো কোম্পানির সঙ্গে বাইটড্যান্সকে চুক্তিতে না এলে টিকটকের সঙ্গে লেনদেন নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন।

এই বিভাগের আরও